১৯১৪ সালের গ্রীষ্মকাল। ইউরোপজুড়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের হাওয়া বইতে শুরু করে। ২৮ জুন, ১৯১৪, অসট্র-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের উত্তরাধিকারী Archduke Franz Ferdinand সাইবেরিয়ান আততায়ীর হাতে নিহত হলে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। এরপর হাঙ্গেরী যখন সাইবেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, তখন ইউরোপ দুই ভাগ হয়ে যায়। একপক্ষ জার্মানি-হাঙ্গেরী-অস্ট্রিয়া-অটোমানদের কেন্দ্রীয় শক্তি এবং অপর পক্ষ রাশিয়া-ব্রিটেন-ফ্রান্স-সাইবেরিয়ানদের মিত্র শক্তি। তখন জার্মানের দাপটে মিত্রশক্তির খাবি খাওয়ার অবস্থা। তারা যে প্রযুক্তির সাবমেরিন নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে আসে, তা ছিল সেই যুগের বিস্ময়। ব্রিটিশ নৌ-বাহিনীকে তারা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়।
জার্মানি যেন হেসে-খেলে যুদ্ধে জিতে যাচ্ছিল। ব্রিটেনকে শান্তি আলোচনার প্রস্তাব দেয় তারা। ব্রিটেনও ভাবছিল, একা একা এই যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কোন মানে হয়না। ব্রিটেনও শান্তি আলোচনায় যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে।
কিন্তু জার্মান জায়োনিস্টরা ব্রিটেনের সামরিক বাহিনীকে আশ্বস্ত করে, তারা চাইলে এখনও যুদ্ধে বিজয় লাভ করতে পারে। শান্তি চুক্তির কোন প্রয়োজন নেই। তারা আমেরিকাকে এই যুদ্ধে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে, তবে এর বিনিময়ে তাদের হাতে প্যালেস্টাইনের চাবি তুলে দিতে হবে। কোন উপায় না দেখে ব্রিটেন এই শর্তে রাজি হয়ে যায়। এরপর আমেরিকা তাদের রণতরী নিয়ে এগতে শুরু করে। যুদ্ধের মোড় এখানেই পাল্টে যায়। পরবর্তী ছয় মাসের মাথায় কেন্দ্রীয় শক্তি পরাজিত হয়।
পরবর্তীতে ইহুদী বিষয়ে ১৯১৯ সালে প্যারিসে শান্তি আলোচনার আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিল ১১৭ জন ইহুদী প্রতিনিধি, যাদের অনেকে ছিল জার্মান নাগরিক। আলোচনার এক পর্যায়ে তারা ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্যালেস্টাইন দাবী করে। জার্মান সম্রাট তখন মাথায় হাত দিয়ে বলেন- “এই কি ছিল যুদ্ধের কারন?” তিনি বুঝতে পারলেন, রাশিয়া হতে বিতাড়িত একদল বিশ্বাসঘাতককে নিজ দেশে আশ্রয় দিয়েছিলেন।
—
সিক্রেটস অব জায়োনিজম
(বিশ্বব্যাপী জায়োনিস্ট ষড়যন্ত্রের ভেতর-বাহির)
লেখকঃ হেনরি ফোর্ড (বিখ্যাত ফোর্ড মোটর কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা)
অনুবাদঃ ফুয়াদ আল আজাদ
—
বইটি সংগ্রহ করতে পারেন নিম্নের লিঙ্ক থেকেঃ
—
ধন্যবাদ,
ইনভেনসেফ বুকস
